সাংবাদিক নামীয় দালাল নামে বেনামে বিভিন্ন চিঠির মাধ্যমে অপপ্রচার চালাচ্ছে মিয়া মোহাম্মদ আবু ওবায়দা কমিশনার এর নামে। এমন একটি অভিযোগ পত্র আমাদের হাতে এসেছে যেটা করা হয়েছে প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয় বরাবর কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট ঢাকা (উত্তর) ঢাকা এর বর্তমান কমিশনার মিয়া মোঃ আবু ওবায়দা একজন একটি দুর্নীতিযুক্ত কমিশনার। উক্ত চিঠিতে আরও বেশ কয়েকটি অভিযোগ করা হয়েছে কমিশনার মিয়া মোঃ আবু ওবায়দা এর নামে। জনসাধারণের জানার স্বার্থে চিঠির অংশবিশেষ প্রকাশ করলাম। যে ব্যক্তি উক্ত অভিযোগ করেছেন তিনি কোন বন্ডার বা কোন বন্ড প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধি ও নন। আমার মনে প্রশ্ন জাগে আসলে তিনি কোন স্বার্থে উক্ত অভিযোগটি করছেন।
এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়েই আমাদের সামনে আসে জৈনিক ব্যক্তি অভিযোগ কারি মোঃ আক্তার উজ জামান এর আসল উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য। মোঃ আক্তার উজ জামান আসলে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে বা ব্যক্তির কাছে নিজেকে সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় প্রদান করে থাকেন। মোঃ আক্তার উজ জামানএর প্রধান ব্যবসা বিভিন্ন সরকারি দপ্তর গুলাতে ঘুরে ঘুরে মাসিক চাঁদা সংগ্রহ করা। ঠিক এমন একটি উদ্দেশ্য হাসিলের জন্যই তিনি উত্তর বন্ড কমিশনারেটেও আসেন, কিন্তু এখানে এসে তার মাসিক মাশোহারার চাঁদার টাকা না পেয়ে মনঃক্ষুণ্ণ হন এবং উক্ত বন্ডকমিশনারেটের কমিশনারের নামে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যম এবং বিভিন্ন ব্যক্তিবর্গের কাছে বিভিন্ন নামি বেনামী চিঠি তৈরি করে বিভিন্ন ব্যক্তির হোয়াটসঅ্যাপে প্রেরণ করতেছেন। তার আসল উদ্দেশ্য মাসিক মাসোহারার টাকা। কিন্তু এখন শুধু আর মাসিক মাসোহারার টাকাতেই সে থেমে থাকে নি। সে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নেয়ার জন্য টার্গেট করেন বেশ কয়েকজন ব্যক্তিকে। তার মধ্যে কমিশনার মিয়া মোঃ আবু ওবায়দা এবং ফখরুদ্দিন এর নাম উল্লেখযোগ্য। এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন আকারে নিচে উপস্থাপন করা হলো উক্ত ব্যক্তির উদ্দেশ্য এবং লক্ষ্য।
প্রথমে আমরা কাস্টমস বন্ড কমিশনারেট ঢাকা (উত্তর) ঢাকা এর বর্তমান কমিশনার মিয়া মোঃ আবু ওবায়দা সম্পর্কে জানতে চাই তার অধীনস্তদের বেশ কয়েকজন কর্মচারির কাছে এবং উক্ত বন্ড কমিশনারেটের সেবা গৃকিত বেশ কয়েক জন বন্ডার এবং প্রতিষ্ঠান প্রতিনিধিতের কাছে । সবার প্রদানকৃত তদ্য এবং উপাত্ত মিলিয়েই আমাদের আজকের এই প্রতিবেদনে সরকারি কর্মকর্তা মিয়া মোঃ আবু ওবায়দা–এর পেশাগত আচরণ, কর্মদক্ষতা, নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ এবং জনসেবায় তার অবদানসমূহ বিশদভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। তিনি সরকারি প্রশাসনের একজন দায়িত্বশীল, সৎ ও আদর্শিক কর্মকর্তা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে সততা ও নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তার সার্বিক কর্মনিষ্ঠা এবং পেশাদারিত্ব তাকে প্রতিষ্ঠানের জন্য অত্যন্ত মূল্যবান সম্পদ হিসেবে প্রমাণ করেছে। মিয়া মোঃ আবু ওবায়দা তার দায়িত্ব পালনে সর্বোচ্চ সততার পরিচয় দেন। সরকারি কাজে অনিয়ম বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে তার অবস্থান সবসময় কঠোর ও স্পষ্ট। তিনি নিয়মনীতি, সরকারি নীতিমালা এবং প্রশাসনিক আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করেন। সহকর্মী ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা সবাই তার নৈতিক অবস্থানকে গভীরভাবে মূল্যায়ন করেন। কাজের প্রতি ১০০% স্বচ্ছতা বজায় রাখেন দায়িত্ব পালনে কোনো ধরনের পক্ষপাতদুষ্টতা নেই জনস্বার্থকে সর্বদা অগ্রাধিকার দেন সরকারি সম্পদের অপব্যবহারের বিরুদ্ধে দৃঢ় অবস্থান গ্রহণ করেন।
দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্ব
তার অন্যতম প্রধান শক্তি হলো দায়িত্ববোধ এবং সময়ানুবর্তিতা। তিনি তার অধীনস্তদের সঙ্গে যথাযথভাবে সমন্বয় করেন এবং প্রতিটা কাজ পরিকল্পিতভাবে সম্পন্ন করেন। সময়মতো দায়িত্ব সম্পন্ন করার দক্ষতা জটিল ফাইল বা প্রশাসনিক সিদ্ধান্তে সঠিক মূল্যায়ন চাপের মধ্যেও ধৈর্য ধরে কাজ করার সক্ষমতা সর্বদা পেশাদার এবং ভদ্র আচরণ
কর্মনিষ্ঠা ও পরিশ্রম
মিয়া মোঃ আবু ওবায়দা একজন অত্যন্ত পরিশ্রমী কর্মকর্তা। তিনি নিয়মিতভাবে দায়িত্বের অতিরিক্ত কাজও নিষ্ঠার সাথে সম্পন্ন করেন। কাজের প্রতি তার মনোযোগ এবং অধ্যবসায় প্রশংসাযোগ্য। প্রতিদিন নির্দিষ্ট পরিকল্পনা অনুযায়ী কাজ সম্পাদন জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সিদ্ধান্ত গ্রহণ অফিস সময়ের বাইরে প্রয়োজনীয় কাজেও দায়িত্ব পালন দক্ষতা উন্নয়নে নতুন নতুন জ্ঞান অর্জনের আগ্রহ
জনগণের সেবার প্রতি আন্তরিকতা
একজন সরকারি কর্মচারীর প্রধান দায়িত্ব হলো জনগণের সেবা করা। মিয়া মোঃ আবু ওবায়দা এই দায়িত্ব অত্যন্ত আন্তরিকভাবে পালন করেন। তিনি জনগণের সমস্যাগুলো মনোযোগসহকারে শোনেন এবং সম্ভব হলে সেই মুহূর্তেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করেন। সেবা গ্রহীতাদের সাথে সদয় ও শালীন আচরণ অভিযোগ গ্রহণ ও দ্রুত নিষ্পত্তির প্রচেষ্টা দুর্বল ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর প্রতি সহানুভূতিশীল ন্যায়-নীতির ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত গ্রহণ
নেতৃত্ব গুণাবলি
মিয়া মোঃ আবু ওবায়দা একজন সক্ষম নেতা। তিনি দল পরিচালনা, পরিকল্পনা এবং বাস্তবায়ন—সবক্ষেত্রেই নিজেকে দক্ষ হিসেবে প্রমাণ করেছেন। সহকর্মীদের অনুপ্রাণিত করার ক্ষমতা কর্মপরিবেশে ইতিবাচক মনোভাব বজায় রাখা কাজ বণ্টন এবং মূল্যায়নে ন্যায়সঙ্গত পদ্ধতি টিমওয়ার্ক নিশ্চিত করে দ্রুত ফলাফল অর্জন
যোগাযোগ দক্ষতা
ব্যক্তিগত ও প্রশাসনিক উভয় ক্ষেত্রেই তার যোগাযোগ দক্ষতা উল্লেখযোগ্য। তিনি স্পষ্ট, ভদ্র এবং পেশাদারভাবে মতামত প্রকাশ করতে সক্ষম। মৌখিক ও লিখিত যোগাযোগ সমানভাবে দক্ষ সভা ও আলোচনায় স্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান তথ্য উপস্থাপনে দক্ষ বিরোধ বা মতবিরোধকে দক্ষতার সাথে সমাধান করতে সক্ষম
সার্বিক মূল্যায়ন
সামগ্রিকভাবে মিয়া মোঃ আবু ওবায়দা একজন দক্ষ, সৎ, দায়িত্বশীল, পরিশ্রমী, নেতৃত্বগুণসম্পন্ন এবং জনবান্ধব সরকারি কর্মকর্তা। তার পেশাগত জীবনের প্রতিটি ক্ষেত্রে তিনি উচ্চমানের দক্ষতা এবং সাফল্যের ছাপ রেখে চলেছেন।
এই প্রতিবেদন থেকে স্পষ্টভাবে প্রতীয়মান হয় যে মিয়া মোঃ আবু ওবায়দা কেবল একজন সাধারণ সরকারি কর্মচারী নন, বরং একজন আদর্শ কর্মকর্তা, যিনি সততা, নৈতিকতা, দায়িত্ববোধ ও পেশাদারিত্বের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখে চলেছেন। তার মতো কর্মকর্তারা দেশ ও প্রতিষ্ঠানের উন্নয়নে বিশেষ ভূমিকা রাখেন।
এবার বলি মোস্তফা ফখরুদ্দিন সম্পর্কেঃ
জনাব মোস্তফা ফখরুদ্দিন ১৯৮৬ইং সালে ঢাকা সিটি কলেজ থেকে বি কম পাশ করার পর ১৯৮৭ ইং সাল থেকে রায়বাজার পুল পাড় সেভেন সীজ গার্মেন্টস এ কমার্শিয়াল হিসাবে চাকুরী জীবন চালু করেন, এড়ি মাঝে দেশী বিদেশী কয়েকটি প্রতিষ্ঠানে চাকুরী করেন। নিজেকে কঠোর পরিশ্রম ও যোগ্যতার মাধ্যমে নিজেকে কোম্পানির জিএম হিসাবে ২০০৬ ইং এর এপ্রিল মাসে জিএম হিসাবে ডং বেং গ্রুপে জয়েন্ট করেন এবং উক্ত কোন্পানী ১লা জানুয়ারী ২০২৩ ইং সালে এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর হিসাবে প্রমোশন প্রদান করেন। উল্লেখ্য ডং বেং গ্রুপের মোট ৭ টি প্রতিষ্ঠান এবং মোস্তফা ফখরুদ্দিন এ গ্রুপে সন্মানের সহিত দীর্ঘ ১৯ বছর চাকুরী করে আসতেছেন।
ফলশ্রুতিতে এ ৩৮ বছরের কর্ম জীবনে বিশেষ করে ব্যাংক এবং কাস্টমস সেক্টরের সকল কাজ গুলা দেখভালের দায়িত্বে চছিলেই মোস্তফা ফখরুদ্দিন । কাজের মুবাদে শুধূ এক মিয়া মো: আবু ওবায়দাই নয় এনবিআর এর বেশির ভাগ কর্মকর্তা এবং কর্মচারীর সাথেই একটা কাজের সম্পর্ক উঠেছে এবং তা বিদ্যামান।
দ্বিতীয়ত:
মোস্তফা ফখরুদ্দিন বিপ্লব হোল্ডিং লিমিটেড Chief Financial Officer হিসাবে ১৯২০ সাল থেকে( অতিরিক্ত) হিসাবে চুক্তি ভিওিক চাকুরীতে যোগদান করেন এবং বিপ্লব হোল্ডিং লিমিটেড ,বিপ্লব টাওয়ার এ তাকে বসার জন্য একটা প্লেস করে দেন। বিল্ডিং রক্ষন্না বেক্ষন এবং বিপ্লব হোল্ডিং লিমিটেড এর যাবতীয় কাজ পরিচালোনা করার জন্য। ২০২৩ ইং সালে কোন্পানীর জন্য রক্ষিত প্লেস ব্যাতিরেকে অবশিষ্ট অংশ জাতীয় রাজস্ব বোর্ড এর কাছে চুক্তি ভিওিক ভাড়া প্রদান করা হয় ।
এখানে কমিশনার এর কি দোষ আপনারাই বুঝেন ।
এত বলাই যায় মোঃ আক্তার উজ জামান এক জন সাংবাদিক নামী্ও চাঁদাবাজ

সাম্প্রতিক সময়ে অভিযোগ এসেছে যে নিজেকে সাংবাদিক পরিচয়দানকারী মোঃ আক্তার উজ জামান গং নানাবিধ আচরণ ও কর্মকাণ্ডের হয়রানির চেষ্টা করেছেন। বিভিন্ন সময় তিনি চাপ সৃষ্টি, ভয়ভীতি প্রদর্শন বা আর্থিক দাবির মতো আচরণ করেছেন বলে সবার মনে সন্দেহের উদ্ভব হয়েছে।যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে তদন্তের জন্য উপস্থাপন করা যেতে পারে। এ ধরনের কর্মকাণ্ড গণমাধ্যমের নীতিমালা, সাংবাদিকতার নৈতিক মানদণ্ড এবং সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তার জন্য হুমকি হতে পারে। এই বিষয়টি পরিষ্কারভাবে জানা ও সত্যতা যাচাইয়ের জন্য একটি নিরপেক্ষ তদন্ত প্রয়োজন। যদি কেউ ক্ষমতার অপব্যবহার বা পরিচয়ের অপব্যবহার করে থাকে তবে তার বিরুদ্ধে যথাযথ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করাই কাম্য।
এ বিষয়ে মোঃ আক্তার উজ জামানের বক্তব্য পাওয়া যায়নি। তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন জন্য আমাদের অনুসন্ধান চলমান থাকবে। তবে তদন্ত ছাড়া কোনো অভিযোগের সত্যতা যাচাই করা সম্ভব নয়।সাংবাদিক মোঃ আক্তার উজ জামান রিজনের আচরণে অসঙ্গতি ও অনাকাঙ্ক্ষিত দাবি প্রসঙ্গে কঠোর প্রতিবাদসাম্প্রতিক সময়ে সাংবাদিক পরিচয়ে চলাফেরা করা মোঃ আক্তার উজ জামান–এর বিরুদ্ধে বিভিন্ন ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে অযাচিত দাবি, অনাকাঙ্ক্ষিত চাপ সৃষ্টি এবং পেশাগত সীমা লঙ্ঘনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার নৈতিকতা ও আচরণবিধি সম্পূর্ণভাবে উপেক্ষা করে তিনি বেশ কয়েকজনের কাছ থেকে অস্বাভাবিক আর্থিক দাবি করার চেষ্টা করেছেন বলে একাধিক ভুক্তভোগী অভিযোগ করেছেন।একজন গণমাধ্যমকর্মীর দায়িত্ব হলো সত্য উদঘাটন, সঠিক তথ্য উপস্থাপন এবং সমাজে ইতিবাচক ভূমিকা রাখা। কিন্তু তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগসমূহ সাংবাদিকতার মান-মর্যাদা ও নৈতিকতার পরিপন্থী। ব্যক্তিগতভাবে চাপ প্রয়োগ, আর্থিক দাবি বা পেশার অপব্যবহার—এগুলো কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু সাংবাদিকতার সুনাম ক্ষুণ্ন করছে না, বরং সাধারণ মানুষের আস্থা কমিয়ে দিচ্ছে। তাই সংশ্লিষ্ট মহল ও গণমাধ্যম সংস্থাগুলোর প্রতি অনুরোধ, অভিযোগগুলো নিরপেক্ষভাবে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য।আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই—কোনো ব্যক্তি সাংবাদিকতার নামে অনৈতিক দাবি করলে তার বিরুদ্ধে কঠোর প্রতিবাদ জানানো এবং প্রতিরোধ করা আমাদের নাগরিক দায়িত্ব। সত্যের পথে থাকা প্রত্যেক মানুষই এমন আচরণের নিন্দা জানায়।